দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেত্রকোনায় ফসলহানির প্রভাব কোরবানির পশুরহাটে, দামে হতাশ বিক্রেতারা। হাওরের বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে কোরবানির পশুর বাজারে। বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন খামারি ও কৃষকরা। মঙ্গলবার জেলার মদন উপজেলার বটতলা পশুরহাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
কৃষকরা জানান, হাওরাঞ্চলের অধিকাংশ কৃষকের ঘরে এবার ধান নেই। পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে গৃহপালিত গবাদিপশু বিক্রির জন্য হাটে আনলেও কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। বিশেষ করে বড় গরুর বাজারে ক্রেতা ও পাইকারের উপস্থিতি কম থাকায় বেশি বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।
বটতলা পশুরহাটে গরু বিক্রি করতে আসা আটপাড়া উপজেলার রবিয়ারগাতী গ্রামের কৃষক সুজন মিয়া বলেন, ‘দেড় লাখ টাকার গরুর দাম এক লাখ টাকা বলছে। ফসলও গেল, এখন গরুতেও লোকসান গুনতে হচ্ছে।’ একই অভিযোগ করেন আরও কয়েকজন বিক্রেতা।
ক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম কিছুটা কম। তবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বড় পাইকারদের উপস্থিতি কম থাকায় বাজারে বেচাকেনা জমছে না।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলার ১০ উপজেলায় ১০৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুরহাট বসেছে। বাজারগুলোতে প্রশাসন, পুলিশ ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের বিশেষ নজরদারি রয়েছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত পশুর সংখ্যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৯ হাজার বেশি।
এমএস/